+971(0) 5271 300 12 info@firozbdweb

Click signup and earn money ! انقر الاشتراك وكسب المال

Thursday, June 13

গুরুত্বপূর্ণ কিছু হাদিস ...........::

হযরত জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী করীম (সাঃ) বলেছেন, তোমাদের কেউ আহার করার সময় যদি তার লোকমা পড়ে যায় তবে এতে সন্দেহের কিছু (ধূলো-বালি জাতীয়) দেখলে সে যেন তা পরিস্কার করে নেয় এবং তারপর তা খেয়ে নেয়আর শয়তানের জন্য সে যেন তা ছেড়ে না দেয়


{তিরমিযী-১৮০৯}




আনাস ইবনে মালেক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “আল্লাহ তাআলা জাহান্নামীদের সবচেয়ে হালকা আযাবের ব্যক্তিকে কিয়ামতের দিন বলবেন, তোমার জন্য যদি দুনিয়াতে যা রয়েছে সব হয় তুমি কি তা মুক্তিপণ হিসেবে দিবে? সে বলবে, হ্যাঁ, তিনি বলবেন, আমি তোমার কাছে এরচেয়ে কম চেয়েছিলাম যখন তুমি আদমের ঔরসে ছিলে, আমার সাথে কোন বস্তুকে অংশীদার করবে না, কিন্তু তুমি আমার সাথে অংশীদার না করে ক্ষান্ত হওনি


{বুখারি ও মুসলিম}


আবু হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, তোমাদের কাউকে তার আমল রক্ষা করবে নাজনৈক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করলেন, আপনাকেও (রক্ষা করবে ) না, ইয়া রাসূলুল্লাহ! তিনি বললেন, না, আমাকেও না, যদি না আল্লাহ্‌ তা'আলা আমাকে তাঁর রহমত দ্বারা ঢেকে নেনতবে তোমরা সোজা পথে চলবার চেষ্টা কর


{সহীহ মুসলিম,হাদিস-২৮১৬;সহীহ ইবনে হিব্বান,হাদিস- ৩৪৮; মুসনাদ আহমাদ,হাদিস-১০৩৫৫; সহীহ বুখারী,হাদিস-৬৩৬৪; মু'জাম ইবনুল মুবারাক,হাদিস-১২৬৭;হুলিয়াতুল আউলিয়া,হাদিস-১৩১৩৮}


হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, 'তোমরা যখন ঘুম থেকে জাগ্রত হও তখন পাত্রে হাত দেওয়ার আগে তিনবার হাত ধুয়ে নিবেকেননা তোমাদের জানা নেই যে, ঘুমন্ত অবস্থায় হাত কোথায় কোথায় স্পর্শ করেছে'


- সহীহ মুসলিমঃ ১/১৩৬



হযরত ওমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করেছেন- যখনই কোন পুরুষ পর নারীর সাথে নির্জনে দেখা করে তখনই শয়তান সেখানে তৃতীয় ব্যক্তি হিসেবে উপস্থিত হয় 


{সুনানে তিরমিযী, হাদিস নং-২১৬৫, সহীহ ইবনে হিব্বান, হাদিস নং-৫৫৮৬}


হযরত জাবের (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “শয়তান তোমাদের সমস্ত কাজ কর্মে তোমাদের নিকট উপস্থিত হয়; এমনকি তোমাদের খাবারের সময়েও উপস্থিত হয়সুতরাং যখন কারো খাবারের লোকমা (থালার বাইরে) পড়ে যায়, তখন সে যেন তা তুলে তা থেকে ময়লা পরিস্কার করে খেয়ে নেয় এবং শয়তানের জন্য তা ফেলে না রাখেআর খাবারের শেষে সে যেন তার আঙ্গুলগুলো চেটে নেয়কারণ, তার জানা নেই যে, তার খাবারের কোন অংশে বরকত রয়েছে


{সহীহ মুসলিম ১০৩৮; তিরমিযী ১৮০১; মুসনাদে আহমাদ ৮২৯৪, ৯১০৫}


হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেন, নামাযের জন্য যখন আযান দেওয়া হয়, সেই সময় শয়তান আযানের কথাগুলো সহ্য করতে না পেরে বায়ু নিঃসরণ করতে করতে পালাতে থাকে, যতক্ষণ না আযানের শব্দসীমার বাইরে যায়আযান শেষ হলে ফের সে ফিরে আসে। (এবং মানুষের অন্তরে অস্‌অসা দিতে থাকে)তারপর যখন নামাযের জন্য তাকবীর বলা হয়, তখনও শয়তান পালিয়ে যায়তাকবীর শেষ হলে ফের সে ফিরে আসে এবং নামাযীর অন্তরে বিভিন্ন খেয়াল আনিয়ে দেয়আর বলে, অমুক কথা মনে কর, তমুক কথা স্মরণ করযে-সব কথা নামাযের বাইরে মনে পড়ে নাশেষ পর্যন্ত নামাযী ভুলে যায়, যে সে কত রাকআত নামায পড়েছে


{বুখারী,কিতাবুল আযান,বাব ৪, কিতাবুল আমাল ফিস সালাত,বাব ১৮; মুসলিম, কিতাবুস সালাত,হাদিস নং-১৯, কিতাবুল মাসাজিদ, হাদিস ৮৩-৮৪; আবু দাউদ, কিতাবুস সালাত,বাব ৩১; নাসায়ী, কিতাবুল আযান, বাব ৩০; দারিমী,কিতাবুস সালাত,বাব ১১,১৭৪; মুয়াত্তা মালিক,কিতাবুল নিদা,হাদিস ৬; মুসনাদে আহমাদঃ ২/৩১৩, ৪৬০, ৫০৩,৫২২; বায়হাকীঃ ১/৩২১; তাজবীদ,২৮৩; তারগীব ওয়া তারহীবঃ ১/১৭৭; মাজমাউয যাওয়ায়েদঃ ১/৩২৪; কানযুল উম্মাল -৩০৮৮৩, ২০৯৪৭,২০৯৪৯}


হযরত আবু যর (রাঃ ) থেকে বর্ণিত ,একবার শীতকালে গাছের পাতা ঝরে যাচ্ছিলএমন সময় নবী করীম (সাঃ ) ঘরের বাহিরে এলেন এবং একটি গাছের দু'টি শাখা ধরে ঝাঁকি দিলেনতখন ঝরঝর করে গাছের শুকনো পাতা পড়তে লাগলোনবী করীম (সাঃ ) বললেন-


"হে আবু যর(রাঃ )! যখন কোন মুমিন একনিষ্ঠভাবে আন্তরিকতার সাথে নামায পড়ে তখন তার পাপরাশি ঠিক এভাবে ঝরে পড়ে যেমন এ গাছের পাতাগুলো ঝরে পড়েছে
(মুসনাদে আহমাদ)



হযরত জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, ‘শয়তান তার সিংহাসনকে পানির উপর স্থাপন করেতারপর মানব সমাজে তার বাহিনীসমূহ প্রেরণ করেতার দৃষ্টিতে ফেৎনা সৃষ্টি করায় যে যত বড়, মর্যাদায় সে তত বেশী নৈকট্যের অধিকারীতাদের কেউ একজন আসে আর বলে যে, আমি অমুকের পেছনে লেগেই থাকিঅবশেষে তাকে এমন অবস্থায় রেখে এসেছি যে, সে এমন এমন জঘন্য কথা বলে বেড়াচ্ছেএকথা শুনে ইবলীস বলে, না, আল্লাহর শপথ! তুমি কিছুই করনি


আবার আরেক জন এসে বলে, আমি অমুক ও তার স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটিয়েই তবে ছেড়েছিরাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, একথা শুনে শয়তান তাকে কাছে টেনে নেয় এবং বলে, কত উত্তম কাজই না তুমি করেছো

[মুসলিম হা/২৮১৩; মিশকাত ঈমানঅধ্যায়, হা/৭১]
No comments

Tuesday, May 28

হাদীসের গল্প----শিহ্মামুলক একটি বই


হাদীস ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ কতৃক প্রকাশিত হয়েছে ছোটদের জন্য বিনোদন এবং শিহ্মমুলক বই “হাদীসের গল্প”।   হাদীস থেকে সংগৃহীত শিহ্মামুলক  সত্য ঘটনাগুলি সংকলিত করে সন্নিবেশিত করা হয়েছে এই বইটিতে।
শিরোনাম: হাদীসের গল্প
সংকলন: হাদীস ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ




No comments

Wednesday, May 15

আবহাওয়ার বিপদ সংকেতের এর অর্থ..................♣♣



নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত :- এর অর্থ বঙ্গোপসাগরের কোন একটা অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়া বইছে এবং সেখানে ঝড় সৃষ্টি হতে পারে৷(একটি লাল পতাকা )

নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত :- সমুদ্রে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয়েছে৷

নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত :- এর অর্থ বন্দর দমকা হাওয়ার সম্মুখীন ৷(দুইটি লাল পতাকা)

নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত :- এর অর্থ বন্দর ঝড়ের সম্মুখীন হচ্ছে, তবে বিপদের আশঙ্কা এমন নয় যে চরম নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে৷

নম্বর বিপদ সংকেত :- এর অর্থ হচ্ছে অল্প বা মাঝারী ধরনের ঘূর্ণিঝড়ের কারণে বন্দরের আবহাওয়া দুর্যোগপূর্ণ থাকবে এবং ঝড়টি চট্টগ্রাম বন্দরের দক্ষিণ দিক দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে (মংলা বন্দরের বেলায় পূর্ব দিক দিয়ে)৷

নম্বর বিপদ সংকেত :- এর অর্থ হচ্ছে অল্প বা মাঝারী ধরনের ঝড় হবে এবং আবহাওয়া দুযোগপূর্ণ থাকবে৷ ঝড়টি চট্টগ্রাম বন্দরের উত্তর দিক দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে৷ (মংলা বন্দরের বেলায় পশ্চিম দিক দিয়ে)৷

নং বিপদ সংকেত :- এর অর্থ অল্প অথবা মাঝারী ধরনের ঘূর্ণিঝড় হবে এবং এজন্য আবহাওয়া দুর্যোগপূর্ণ থাকবে৷ ঘূর্ণিঝড়টি সমুদ্রবন্দরের খুব কাছ দিয়ে অথবা উপর দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে৷(তিনটি লাল পতাকা)

নং মহাবিপদ সংকেত :- এর অর্থ প্রচণ্ড ঘূর্ণিঝড় হবে এবং বন্দরের আবহাওয়া খুবই দুর্যোগপূর্ণ থাকবে৷ ঝড়টি চট্টগ্রাম বন্দরের দক্ষিণ দিক দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে (মংলা বন্দরের বেলায় পূর্ব দিক দিয়ে)৷

নম্বর মহাবিপদ সংকেত :- এর অর্থ প্রচণ্ড ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বন্দরের আবহাওয়া দুর্যোগপূর্ণ থাকবে৷ ঘূর্ণিঝড়টি চট্টগ্রাম বন্দরের উত্তর দিক দিয়ে উপকূল অতিক্রম করার আশঙ্কা রয়েছে (মংলা বন্দরের বেলায় পশ্চিম দিক দিয়ে)৷

১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত :- এর অর্থ প্রচণ্ড ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বন্দরের আবহাওয়া দুর্যোগপূর্ণ থাকবে এবং ঘূর্ণিঝড়টির বন্দরের খুব কাছ দিয়ে অথবা উপর দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে৷

১১ নম্বর যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হওয়ার সংকেত :- এর অর্থ ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সাথে সমস্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়েগিয়েছে এবং স্থানীয় অধিকর্তার বিবেচনায় চরম প্রতিকূল আবহাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।


No comments

Monday, May 13

======== ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ যেভাবে ======


তৃতীয় শতকে শ্রীলংকার শাসক ছিলেন রাজা 'মহাসেন'। তার নামানুসারেই জাতিসংঘের এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের আবহাওয়াবিদদের সংস্থা এস্কেপে 
এ ঝড়টির নামকরণ করে। 

যেমন, বঙ্গোপসাগরে পরবর্তী ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ করা হয়েছে 'ফাইলিন' ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ নিয়ে কৌতূহল সবারই।বর্তমানে সহজ নামকরণ করা হয় ঘূর্ণিঝড়ের। মজার ব্যাপার হচ্ছে, নামগুলোর বেশির ভাগই নারীদের নামে। যেমন রিটা, ক্যাটরিনা, নার্গিস, সিডর, রেশমী, বিজলী। আমেরিকায় যে প্রলয়ঙ্করী ঝড় আঘাত হেনেছে, সেই স্যান্ডির নামও নারীর। আগে শুধু নারীদের নামে ঘূর্ণিঝড়গুলোর নামকরণ করা হলেও ১৯৭৯ সাল থেকে পুরুষের নাম অন্তর্ভুক্ত হয় এবং বর্তমান তালিকায় সমানভাবে পর্যায়ক্রমে মহিলা ও পুরুষের নাম রয়েছে। 



ভারতীয় আবহাওয়া বিভাগ। বাংলাদেশ, মিয়ানমার, ভারত, পাকিস্তান, মালদ্বীপ, শ্রীলংকা এবং ওমানের বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার একটি প্যানেল হচ্ছে এস্কেপে। ২০০০ সালে স্কেপের প্রস্তাবানুযায়ী প্রতিটি দেশ থেকে ১০টি নাম জমা নেওয়া হয় ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ করার জন্য। এখান থেকেই পরবর্তী ঘূর্ণিঝড়গুলোর নামকরণ করা হয়। 

আগামী ২০১৬ সাল পর্যন্ত ঘূর্ণিঝড়ের নাম ঠিক করা আছে। মহাসেনের পর আঘাত হানবে ঘূর্ণিঝড় ফাইলিন। তারপর পর্যায়ক্রমে আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড়গুলোর নাম হলো_ হেলেন, লহর, মাদী, নানাউক, হুদহুদ, নিলুফার, প্রিয়া, কোমেন, চপলা, মেঘ, ভালি, কায়নত্দ, নাদা, ভরদাহ, সামা, মোরা, অক্ষি, সাগর, বাজু, দায়ে, লুবান, তিতলি, দাস, ফেথাই, ফণী, বায়ু, হিকা, কায়ের, মহা, বুলবুল, সোবা ও আমপান। 

দেশের ইতিহাসে সর্বশেষ প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় 'আইলা' উপকূলীয় অঞ্চলে আঘাত হেনেছিল ২০০৯ সালের ২৫ মে। ভারত মহাসাগর থেকে সৃষ্ট এ ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ করেন মালদ্বীপের আবহাওয়াবিদরা। 

(সংগৃহিত)
No comments

Thursday, April 25

গুগল_ক্রোমের_কিছু_প্রয়োজনীয়_কৌশল

মরা চাইলে গুগল ক্রোমের বাড়তি কোনো এক্সটেনশন ইনস্টল না করে ক্রোম থেকে আরও কিছু সুবিধা আদায় করতে পারি বা করা যায়।
ওয়েবপেজের পিডিএফ:
গুগল ক্রোমে আগে থেকেই নিজস্ব পিডিএফ রাইটার সুবিধা থাকায় যেকোনো ওয়েবপেজ রাখা যায় পিডিএফ ফাইল আকারে। 
এ জন্য Ctrl+P চেপে প্রিন্ট উইন্ডো থেকে প্রিন্টার হিসেবে Save as PDF নির্বাচন করতে হবে।

নির্বাচিত হিস্ট্রি মোছা:
গুগল ক্রোমের হিস্ট্রিতে আগে দেখা সব কটি সাইটের ঠিকানা নির্বাচন করার কোনো বোতাম নেই। তবে তালিকার প্রথমটি বাঁয়ের চেকবক্সে টিক দিয়ে কি-বোর্ডের শিফট কি ধরে একেবারে নিচের চেকবক্সটি টিক দিলে সব কটি নির্বাচন করা যাবে। তারপর রিমুভ সিলেক্টেড আইটেম বোতামে ক্লিক করে মুছে দেওয়া যাবে অথবা একটা একটা করেও মোছা যাবে। ব্রাউজারে ওয়েব ঠিকানা লেখার ঘরে chrome://history লিখে এন্টার করে হিস্ট্রিতে ঢোকা যায়।
গতি বাড়ানো:
টানা কয়েক ঘণ্টা গুগল ক্রোম ব্যবহার করলে এর গতি কিছুটা ধীর হতে পারে। এ ক্ষেত্রে সহজ সমাধান হলো ব্রাউজারটি বন্ধ করে পুনরায় চালু করা। বাজেভাবে তৈরি কিছু এক্সটেনশনও এর কারণ হতে পারে। এটা জানা যাবে ব্রাউজারের মেনুতে ক্লিক করে Tools>Tasks Manager-এ গিয়ে। ব্রাউজারের টাস্ক ম্যানেজার থেকে বেশি মেমোরি খরচ করছে এমন ওয়েবসাইট বা এক্সটেনশনটি বাছাই করে End Process-এ ক্লিক করুন।

মিডিয়া প্লেয়ার হিসেবে ব্যবহার:
যেকোনো অডিও, ভিডিও, ছবি, টেক্সট ফাইল এমনকি পিডিএফ ডকুমেন্টও ডেস্কটপ থেকে মাউসের সাহায্যে টেনে (ড্র্যাগ) ব্রাউজারে ছেড়ে দিয়ে দেখুন, সব ফাইল কাজ করছে। কোনো ধরনের বিশেষায়িত সফটওয়্যার ছাড়াই ভিডিও এবং ছবি দেখুন গুগল ক্রোমে।
অনেক বুকমার্কস একত্রে:
ব্রাউজারের বুকমার্কস টুলবারে যদি অনেকগুলো সাইটের তালিকা যুক্ত করতে চান, তাহলে বর্তমানে থাকা যেকোনো বুকমার্কসে ডান ক্লিক করে এডিট নির্বাচন করুন। তারপর সবকিছু মুছে দিয়ে নামের ঘরটি খালি করে দিন। তখন ওয়েবসাইটের শুধু ফেভিকন আইকন টুলবারে দেখা যাবে।

No comments

Friday, April 5

সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট ফেসবুকের ইউজার .................!

















সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট ফেসবুকের ইউজার এখন ৮০০ মিলিয়নেরও বেশি। তাদের সদস্য এখন এতই বেশি যে, ফেসবুক কর্তৃপক্ষ নিজেরাই তাদের হিসাব মেলাতে পারে না। তাই কখনোই তারা ইউজার সংখ্যা, পোস্ট বা ছবির সংখ্যার কোনো হিসাব প্রকাশ করে না। সম্প্রতি কয়েকটি গবেষণা সংস্থার জরিপ একত্রিত করে জানা গেছে ফেসবুকের কিছু মজার তথ্য। জানা গেছে, যদি ফেসবুকে আপডেট হওয়া ইউজার পোস্ট প্রতিবছর অ্যানুয়াল রিপোর্ট আকারে প্রিন্ট ভার্সনে প্রকাশ করা হয় তাহলে সাড়ে ১১ বিলিয়ন অ-৪ সাইজের কাগজ লাগবে এক বছরের পোস্ট প্রকাশের জন্য। আর সে কাগজের জোগান দিতে এক বছরেই প্রায় বৃক্ষহীন হয়ে যেত আমাদের বিশ্ব! আবার সেই পোস্টগুলো যদি কেউ পড়তে চায় তাহলে প্রতি পেইজ পড়তে সময় লাগবে তিন মিনিট। সে হিসেবে পুরো সাড়ে ১১ বিলিয়ন পেইজ পড়তে সময় লাগবে ৫৭২ মিলিয়ন ঘণ্টা। এখন মনে কৌতূহল জাগতে পারে, সাড়ে ১১ বিলিয়ন অ-৪ কাগজ ঠিক কতটুকু হতে পারে। সে হিসাবও দিয়েছেন আইটি গবেষকরা। তারা জানিয়েছেন, সাড়ে ১১ বিলিয়ন অ-৪ কাগজ দিয়ে পাঁচ লাখ 'অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারি' বানানো যায়! আরও জানা গেছে, প্রতিবছর প্রায় ২৯২ বিলিয়ন পোস্ট আপডেট হয় ফেসবুকে। আর ছবি আপলোড করা হয় প্রতিদিন প্রায় ২৫০ মিলিয়ন। ফেসবুকে ৬২ শতাংশ ইউজার প্রতিদিন তাদের স্ট্যাটাস আপডেট করে।
No comments

Followers

PaidVerts