+971(0) 5271 300 12 info@firozbdweb

Click signup and earn money ! انقر الاشتراك وكسب المال

Monday, August 6

৫ টি অতিপ্রয়োজনীয় খাদ্য..............:









No comments

Friday, July 20

আসুন জেনে নেই রোজা ভঙ্গের কারণ..........!

মরা বাংলাদেশি, বেশিরভাগ জনগোষ্ঠিই মুসলমান। তাই স্বাভবিক ভাবেই আমরা সবাই রোজা সম্পর্কিত অনেক কিছুই জানি। তবুও সবাইকে আবার নতুন করে রোজা ভঙ্গের কারণ সমুহ একটু মনে করে দিতে চাই।
রোজা ভঙ্গের কারণ সমুহঃ
১. ইচ্ছাকৃত পানাহার করলে।
২. কংকর পাথর বা ফলের বিচি গিলে ফেললে।
৩. কুলি করার সময় হলকের নিচে পানি চলে গেলে (অবশ্য রোজার কথা স্মরণ না থাকলে রোজা ভাঙ্গবে না)।
৪. ইচ্ছকৃত মুখভরে বমি করলে।
৫. নস্য গ্রহণ করা, নাকে বা কানে ওষধ বা তৈল প্রবেশ করালে।
৬. জবরদস্তি করে কেহ রোজা ভাঙ্গালে ।
৭. ইনজেকশান বা স্যালাইরনর মাধ্যমে দেমাগে ওষধ পৌছালে।
৮. স্ত্রী সহবাস করলে ।
৯. সূর্যাস্ত হয়েছে মনে করে ইফতার করার পর দেখা গেল সুর্যাস্ত হয়নি।
১০. পুরা রমজান মাস রোজার নিয়ত না করলে।
১১. দাঁত হতে ছোলা পরিমান খাদ্য-দ্রব্য গিলে ফেললে।
১২. ধূমপান করা, ইচ্ছাকৃত লোবান বা আগরবাতি জ্বালায়ে ধোয়া গ্রহন করলে।
১৩. মুখ ভর্তি বমি গিলে ফেললে ।
১৪. রাত্রি আছে মনে করে সোবহে সাদিকের পর পানাহার করলে।
১৫মুখে পান রেখে ঘুমিয়ে পড়ে সুবহে সাদিকের পর নিদ্রা হতে জাগরিত হওয়া
এ অবস্থায় শুধু কাজা ওয়াজিব হবে।
আর যদি রোজা অবস্থায় ইচ্ছাকৃতভাবে স্বামী-স্ত্রী সহবাস অথবা পানাহার করে তবে কাজা ও কাফফারা উভয়ই ওয়াজিব হবে। কাফফারার মাসআলা অভিজ্ঞ ওলামায়ে কেরামের থেকে জেনে নেবে।
রোজার মাকরুহগুলো

* অনাবশ্যক কোনো জিনিস চিবানো বা চাখা
* কোনো দ্রব্য মুখে দিয়ে রাখা
*গড়গড় করা বা নাকের ভেতর পানি টেনে নেয়া কিন্তু পানি যদি নাক দিয়ে গলায় পৌঁছে যায়, তাহলে রোজা ভেঙে যাবে
* ইচ্ছাকৃত মুখে থুথু জমা করে গলাধঃকরণ করা
* গীবত, গালা-গালি ও ঝগড়া-ফাসাদ করা। কেউ গায়ে পড়ে ঝগড়া-ফাসাদ করতে এলে বলবে, আমি রোজাদার তোমাকে প্রত্যুত্থর দিতে অক্ষম
* সাড়া দিন নাপাক অবস্থায় থাকা। এটি অত্যন্ত গুনাহের কাজ
* অস্থিরতা ও কাতরতা প্রকাশ করা
* কয়লা চিবিয়ে অথবা পাউডার, পেস্ট ও মাজন ইত্যাদি দ্বারা দাঁত পরিষ্কার করা
রোজার নিয়তঃ
নাওয়াইতু আন আছুমাগাদাম মিন শাহরি রমাজানাল মুবারাকি ফারদ্বল্লাকা ইয়া আল্লাহু ফাতাকাব্বাল মিন্নি ইন্নীকা আন্তাস সামিউল আলীম।
ইফতারির দোয়াঃ
আল্লাহুম্মা লাকা ছুমতু ওয়া তাওয়াক্কালতু আলা রিজক্কিকা আফতারতু বি-রহমাতিকা ইয়া আরহামার রহিমীন।
আসুন ভাই আমরা সবাই রমজানের রোজা রাখি এবং রমজানের প্রকৃত শিক্ষা গ্রহন করি।



আমীন
No comments

Friday, July 13

বুদ্ধি হ্রাস এর ছয়টি কারণ........................○

পনি হয়তো বিশ্বাস করতে পারেন আবার নাও পারেন! ছয়টি খারাপ অভ্যাস আপনার বুদ্ধিমত্তাকে হ্রাস করতে পারে! কিংবা আপনার জীবনের চলার পথে বাঁধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। এমনকি আপনার এই খারাপ অভ্যাস আপনাকে পেছনে ফেলতে পারে অথবা আপনাকে ভুল সিদ্ধান্ত গ্রহনেও উদ্ব্দ্ধু করতে পারে।
সেই ছয়টি খারাপ অভ্যাস হলো-

১. দুই কাজ একসাথে করা: আপনি যদি দুইটি কাজ এক সাথে করতে যান তাহলে আপনি কোনোটিই ভালোভাবে সম্পন্ন করতে পারবেন না। আপনি যদি একই সাথে কোনো ছাদের উপরে উঠতে চান কিংবা ওই একই সময়ে ছাদ থেকে নামতে চান আপনি তা পারবেন না। অর্থাৎ আপনি একই সময় দুইটি বিপরীত কাজ করতে পারবেন না আথচ তা যদি আপনি করতে যান তাহলে আপনার বড় রকমের ক্ষতির মুখে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

২. নিজেকে খুব পন্ডিত ভাবা: আপনি যদি নিজেকে খুব পন্ডিত ভাবেন তাহলে তা হবে আপনার অন্যতম একটি বাজে অভ্যাস। বরং আপনার ভাবা উচিৎ অন্যের কাছ থেকেও আপনার কিছু শেখার থাকতে পারে।
৩. ভয়াতুর হওয়া: কোনো কাজ করতে গিয়ে আপনি ভয় পাচ্ছেন। আপনি ভয় পাচ্ছেন যে আপনার কাজটি ব্যর্থ হতে পারে। এই ভয় আপনার বুদ্ধিমত্তাকে লোপ করে দিতে পারে।

৪. নিজের ওপর বিশ্বাস না থাকা: আপনি যদি নিজের ওপর আত্মবিশ্বাস রাখতে না পারেন তাহলে আপনি সব কাজে ব্যর্থ হবেন। আত্মবিশ্বাস রাখতে হবে সব কাজে এমনকি যদি কোনো গর্হিত কাজ করতে যান তাতেও।

৫. নিজেকে গন্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা: কেউ যদি নিজেকে কোনো নির্দিষ্ট কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখে তাহলে তার সৃজনশীলতা হ্রাস পাবে। অর্থাৎ তিনি গন্ডির মধ্যে থাকতে থাকতে আর নতুন কিছু করার প্রয়াস পাবেন না ।

৬. মাদক গহণ:  যদিও কিছু সময় আছে যখন মানুষ নেশা জাতীয় কিছূ পানীয় পান করে কিন্তু জেনে রাখা ভালো যে এই নেশা জাতীয় দ্রব্য আপনার মস্তিস্কের সেলগুলো ধ্বংস করে দিয়ে বুদ্ধিমত্তা কমাতে পারে। এমনকি ভবিষ্যতে আপনি নতুন কিছু শেখার সামর্থ্যও হারাতে পারেন এই বদ-অভ্যাসের কারণে।
No comments

Thursday, July 12

আপনার নাম বা অন্য শব্দ দিয়ে লোগো বানাতে চান?

নানা কাজে বিভিন্ন ধরনের ওয়ার্ড-আর্ট ব্যবহার করতে হয়। বিশেষত প্রেজেন্টেশন বা কোনো রিপোর্টের ফ্রন্ট পেজে একটু ভিন্ন ধরনের লিখা দিতে পারলে,স্বকিয়তা ফুটিয়ে তোলা সম্ভব। এই ক্ষেত্রে সাধারনত সকলেই মাইক্রোসফট-ওয়ার্ডের ডিফল্ট ওয়ার্ড-আর্ট ব্যবহার করেন। কিন্তু এই মাইক্রোসফট-ওয়ার্ড-আর্টের মাধ্যমে খুব বেশী ভিন্নতা আনাও সম্ভভ না। কারন বহুল ব্যবহারের কারনে জিনিসটা সকলেরই পরিচিত।

তাই আজ আপনাদের পরিচয় করিয়ে দেব এমন একটি ওয়েব-সাইটের সাথে,যার মাধ্যমে আপনি সহজেই,ভিন্ন ধরনের কিছু ওয়ার্ড ডিজাইন তৈরী করতে পারবেন।উপরের প্রযুক্তি বার্তার লিখাটির বিভিন্ন ডিজাইনও এই ওয়েব সাইটের মাধ্যমে তৈরী করা হয়েছে। চলুন,সবাই একবার নিজের নাম দিয়ে লোগো বা ডিজাইন তৈরীর চেষ্টা করি।
প্রথমে নিচের লিংকে ক্লিক করুন।


এই বার Featured Logos বা Business Logo Designs বা Fun Logos শিরোনামে কিছু লোগো ডিজাইন আপনি পাবেন।এগুলো থেকে যেকোনো একটি ডিজাইন পছন্দ করে তাতে ক্লিক করুন।
এই সব ডিজাইন পছন্দ না হলে ডান পাশের Logo categories বক্সের মধ্য থেকে বিভিন্ন ক্যটাগরির মধ্য থেকে আপনার পছন্দের ক্যটাগরি হতে একটা লোগো সিলেক্ট করুন এবং তাতে ক্লিক করুন।
অতঃপর Logo Text বক্সে এই শব্দ দিয়ে লোগো বানাবেন,তা টাইপ করুন। তারপর আপনাকে লোগোর একটি প্রী-ভিউ দেখাবে। পছন্দ হলে,নিচে Creat Logo তে ক্লিক করে লোগো তৈরী করে নিন। আপনি চাইলে,লেখার ফন্ট,কালার,বেক-গ্রাউন্ড কালার ইত্যাদি পরিবর্তন করতে পারেন।
এখানে প্রায় ৮০ ধরনের ডিজাইন আছে…..চেষ্টা করুন। আপনি হয়তো অসাধারন কোনো লোগো বানিয়ে সবাইকে চমকে দিতে সর্মথ হবেন।
No comments

Friday, July 6

আপনার ডেস্কটপ ওয়ালপেপার কেউ পাল্টাতে পারবে ...............না


মরা সবাই আমাদের ডেস্কটপকে সুন্দর দেখতে চাই। ডেস্কটপের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে ওয়ালপেপারের গুরুত্ব অপরিসীম। প্রত্যেকেই চাই তার ডেস্কটপে একটি সুন্দর ছবি শোভা পাক। কিন্তু একই কম্পিউটারের একাধিক ব্যবহারকারী থাকলেই দেখা দেয় বিপত্তি। এই বিপত্তি যাতে না ঘটে সে জন্যই আমার আজকের এই টিপস। আসুন জেনে নিই কিভাবে আপনি আপনার ডেস্কটপ ওয়ালপেপারটিকে লকড্‌ করে রাখতে পারবেন। এজন্য নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন-


১। প্রথমে আপনার Run (Windows+R) অপশনে গিয়ে gpedit.msc লিখে এন্টার চাপুন।
২। Group Policy Editor নামক একটি ডায়লগ বক্স আসবে।
৩। এবার User Configuration >> Administrative Templates >> Desktop >> Active Desktop >> Active Desktop Wallpaper গিয়ে Enable করে দিন।
তাহলেই আপনার ওয়ালপেপারটি আর কেউ পরিবর্তন করতে পারবে না।
No comments

Thursday, July 5

বিভিন্ন দেশের ব্যাংক নোট..............

বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পরে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন টাকা (ব্যাংক নোট) মূদ্রন করা হয়। এর মধ্যে অনেক টাকায় আমরা (নতুন প্রজন্ম) দেখিনি। স্বাভাবিকভাবে এগুলো আর কখনো বাজারে আসবে না। কিন্তু তাই বলে কি পুরাতন টাকা দেখতে কেমন ছিলো তা আমরা বা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের দেখা হবে না! ইন্টারনেটের দৌলতে আসল টাকা না হোক টাকার স্ক্যান কপি ছবি হিসাবে পাওয়া যাবে
 এ যাবৎ কালে মূদ্রিত প্রায় সব টাকার চিত্র রয়েছে এই সাইটে। শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের প্রায় সকল দেশের সকল ব্যাংক নোটের চিত্র এখানে পাওয়া যাবে।

No comments

Followers

PaidVerts